০৫:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নওগাঁর মান্দা সাতবাড়িয়া-প্রসাদপুরের নিম্নমানের উপকরণে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করে একটি সড়ক নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,সাতবাড়িয়া- প্রসাদপুর খেয়াঘাট রাস্তার শয়তানের মোড় থেকে শুটকির মোড় পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০ মিটার রাস্তা পাকাকরণের জন্য দরপত্র আহ্বান করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে কাজটি পায় কুষ্টিয়ার সৈকত এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী জুনের মধ্যে কাজটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, কাজের শুরু থেকেই সাবঠিকাদার নুরজাহান বিকসের মালিক মিলন হোসেন নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করছেন। এলাকার লোকজনের কোনো বাধা-নিষেধ আমলে নিচ্ছেন না।

স্থানীয়দের দাবি, নির্মাণ কাজে বালুর পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে বিলের মাটি। এছাড়া ভাঙা ইটভাটা থেকে সংগৃহীত নিম্নমানের ইট ও চিমনির খোয়া এবং পুরোনো রাস্তা থেকে তুলে আনা পাথর-বিটুমনযুক্ত খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘শুরু থেকেই আমরা ঠিকাদারকে সতর্ক করেছি। কিন্তু তিনি কোনো কথা শোনেননি। নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে কাজ করলে রাস্তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে আমরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছি।’

অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদার মিলন হোসেন বলেন, ‘নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে। তবে সামান্য ত্রুটি থাকতে পারে। যদি কোনো উপকরণে সমস্যা থাকে, তা সরিয়ে নেওয়া হবে।’

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আবু সায়েদ বলেন, ‘রাস্তা নির্মাণে কিছু অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেছে। নিম্নমানের উপকরণ সরিয়ে নেওয়ার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’#

ট্যাগ:
জনপ্রিয় নিউজ

কাহালুর উথরা গ্রামে ফুটবল প্রশিক্ষণ খেলা অনুষ্ঠিত

สล็อตเว็บตรง AI Courses เครดิตฟรี

নওগাঁর মান্দা সাতবাড়িয়া-প্রসাদপুরের নিম্নমানের উপকরণে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৭:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করে একটি সড়ক নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,সাতবাড়িয়া- প্রসাদপুর খেয়াঘাট রাস্তার শয়তানের মোড় থেকে শুটকির মোড় পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০ মিটার রাস্তা পাকাকরণের জন্য দরপত্র আহ্বান করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে কাজটি পায় কুষ্টিয়ার সৈকত এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী জুনের মধ্যে কাজটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, কাজের শুরু থেকেই সাবঠিকাদার নুরজাহান বিকসের মালিক মিলন হোসেন নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করছেন। এলাকার লোকজনের কোনো বাধা-নিষেধ আমলে নিচ্ছেন না।

স্থানীয়দের দাবি, নির্মাণ কাজে বালুর পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে বিলের মাটি। এছাড়া ভাঙা ইটভাটা থেকে সংগৃহীত নিম্নমানের ইট ও চিমনির খোয়া এবং পুরোনো রাস্তা থেকে তুলে আনা পাথর-বিটুমনযুক্ত খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘শুরু থেকেই আমরা ঠিকাদারকে সতর্ক করেছি। কিন্তু তিনি কোনো কথা শোনেননি। নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে কাজ করলে রাস্তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে আমরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছি।’

অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদার মিলন হোসেন বলেন, ‘নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে। তবে সামান্য ত্রুটি থাকতে পারে। যদি কোনো উপকরণে সমস্যা থাকে, তা সরিয়ে নেওয়া হবে।’

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আবু সায়েদ বলেন, ‘রাস্তা নির্মাণে কিছু অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেছে। নিম্নমানের উপকরণ সরিয়ে নেওয়ার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’#