মাগুরার শালিখা উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের ক্রয়কৃত ২০১ শতাংশ জমি চেয়ারম্যানের নিজ নামে রেজিস্ট্রেশন এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলন করেছে সমিতির কর্তৃপক্ষ।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সমিতির চেয়ারম্যান মো:বাহারুল ইসলাম প্রকাশিত সংবাদকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে পাঠ করা লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)মিটিং এর মাধ্যমে সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে জমি ক্রয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রায় ১ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে পাঁচটি পৃথক দলিলের মাধ্যমে মোট ২০১ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়েছে।চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলাম দাবি করেন, সমিতির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম পরিচালনা এবং জমি ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে ক্রয়কৃত জমিগুলোর পাওয়ার অব অ্যাটর্নি তাঁর নামে প্রদান করা হয়েছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে জমির মালিক তিনি বা তাঁর পরিবারের সদস্যরা।তিনি বলেন,“এ বিষয়ে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে লিখিত অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করা হয়েছে,যেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে আমি কিংবা আমার পরিবারের কোনো সদস্য কখনোই এসব জমির মালিকানা দাবি করতে পারবে না।তিনি আরও বলেন,জমির প্রকৃত মালিক শালিখা উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড। ব্যক্তিগতভাবে তিনি বা তাঁর পরিবারের কেউ উক্ত জমির মালিক নন। একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর ব্যক্তিগত ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে এ ধরনের অভিযোগ উত্থাপন করেছে বলে জানান।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সমিতির কয়েকজন সদস্য চেয়ারম্যানের বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন,জমি ক্রয়ের সিদ্ধান্ত সমিতির গঠনতন্ত্র ও নীতিমালা অনুসরণ করেই গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি সদস্যদের অবগতির মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সদস্য,কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
ওবায়দুর রহমান,মাগুরা জেলা প্রতিনিধি। 





















