০৪:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আক্কেলপুরে রেললাইনে প্রাণগেল লিমনের কানে হেডফোন থাকায় বাড়ি ফেরা হলো না!

কানে হেডফোন গুঁজে প্রিয় কোনো গান হয়তো শুনছিলেন, অথবা মগ্ন ছিলেন অন্য কোনো আলাপনে। কিন্তু সেই মগ্নতাই যে জীবনের শেষ পরিণাম হয়ে আসবে, তা ভাবেননি ১৭ বছরে কিশোর লিমন হোসেন। জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে কানে হেডফোন লাগিয়ে রেললাইন ধরে হাঁটার সময় ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।
বুধবার (১১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার রুকিন্দপুর ইউনিয়নের কানুপুর হালির মোড় এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত লিমন ওই ইউনিয়নের দক্ষিণ কানুপুর গ্রামের বাবু হোসেনের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লিমন জামালগঞ্জ বাজারের একটি মুরগির খামারে কাজ করতেন। প্রতিদিনের মতো আজ সকালেও কাজ শেষ করে রেললাইন ধরে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। তখন কানে হেডফোন থাকায় পেছন থেকে আসা ট্রেনের হর্ন তিনি শুনতে পাননি। এ সময় চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তনগর ‘চিলাহাটি এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ট্রেনের ধাক্কায় লিমন রেললাইনের পাশে ছিটকে পড়েন এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পান। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এই কিশোরের। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয়রা সেখানে জড়ো হলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। লিমনের নিথর দেহের পাশে পড়ে ছিল তার সেই রক্তমাখা হেডফোনটি।

সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রেললাইনে অসাবধানতাবশত হাঁটার কারণেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি বলেন, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্যাগ:
জনপ্রিয় নিউজ

তালাশ সভাপতি, মাসুদ সাধারণ সম্পাদক, সুশান্ত সাংগঠনিক সম্পাদক।

สล็อตเว็บตรง AI Courses เครดิตฟรี

আক্কেলপুরে রেললাইনে প্রাণগেল লিমনের কানে হেডফোন থাকায় বাড়ি ফেরা হলো না!

আপডেট সময় : ০৬:৪০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

কানে হেডফোন গুঁজে প্রিয় কোনো গান হয়তো শুনছিলেন, অথবা মগ্ন ছিলেন অন্য কোনো আলাপনে। কিন্তু সেই মগ্নতাই যে জীবনের শেষ পরিণাম হয়ে আসবে, তা ভাবেননি ১৭ বছরে কিশোর লিমন হোসেন। জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে কানে হেডফোন লাগিয়ে রেললাইন ধরে হাঁটার সময় ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।
বুধবার (১১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার রুকিন্দপুর ইউনিয়নের কানুপুর হালির মোড় এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত লিমন ওই ইউনিয়নের দক্ষিণ কানুপুর গ্রামের বাবু হোসেনের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লিমন জামালগঞ্জ বাজারের একটি মুরগির খামারে কাজ করতেন। প্রতিদিনের মতো আজ সকালেও কাজ শেষ করে রেললাইন ধরে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। তখন কানে হেডফোন থাকায় পেছন থেকে আসা ট্রেনের হর্ন তিনি শুনতে পাননি। এ সময় চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তনগর ‘চিলাহাটি এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ট্রেনের ধাক্কায় লিমন রেললাইনের পাশে ছিটকে পড়েন এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পান। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এই কিশোরের। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয়রা সেখানে জড়ো হলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। লিমনের নিথর দেহের পাশে পড়ে ছিল তার সেই রক্তমাখা হেডফোনটি।

সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রেললাইনে অসাবধানতাবশত হাঁটার কারণেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি বলেন, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।